Friday June 2026

হটলাইন

কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬ এ ০৯:১০ PM

এক নজরে

কন্টেন্ট: পাতা

০১। অফিসের নাম:-

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা।

০২। অফিস পরিচিতি:-

প্রত্যেক উপজেলায় একটি উপজেলা খাদ্য অফিস রয়েছে। অফিসটি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন খাদ্য অধিদপ্তরের অধীন পরিচালিত ও

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত।

০৩। অফিসের জনবল কাঠামো:-

অফিস প্রধানের পদবি- উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, তাঁকে সহায়তা করার জন্য রয়েছে খাদ্য পরিদর্শক ০১ জন , উপ- খাদ্য পরিদর্শক ০১ জন ,

অফিস সহকারী ০১ জন ও খন্ডকালীন ঝাড়ুদার ০১ জন।।

০৪। আওতাধীন অফিস:-

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অধীনে ০১টি খাদ্য গুদাম রয়েছে। যার ধারণ ক্ষমতা ( ৫০০+৫০০+৫০০=১৫০০) মেঃ টন। খাদ্য গুদামের দায়িত্বে ০১ (এক) জন

খাদ্য পরিদর্শক ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োজিত আছেন। এছাড়া তাকে সহায়তা করার জন্য ০২ জন নিরাপত্তা প্রহরী ও ০১ জন খন্ডকালীন ঝাড়ুদার দায়িত্ব পালন করছেন।

০৫। অফিসের কার্যক্রম:-

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্তৃক কৃষক গনের নিকট হইতে ধান সংগ্রহ করতঃ খাদ্য গুদামে মজুদ

করে খাদ্য নিরাপত্তা বিধান। তাছাড়া:-

(ক) সকল উন্নয়ন মূলক কাজের অনুকুলে খাদ্যশস্য বিতরণ।

যেমনঃ-

১) খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি এবং ওএমএস ( খোলা বাজারে বিক্রয়) কার্যক্রম

২) কাজের বিনিময় খাদ্য (কাবিখা)।

৩। ভিজিএফ

৪। ভিডব্লিউবি

৫। জি. আর

৬। ফায়ার সার্ভিস ইত্যাদি খাতে ছাড়পত্র পাওয়ার সাথে সাথে ডিও ইস্যুকরণ।

(খ) সরকারী চাকুরীতে কর্মরত ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের র্ন্যয্যমূল্যে রেশন প্রদান।

(গ) ওএমএস কার্যক্রম পরিচালনা।

(ঘ) হতদরিদ্রদের জন্য ন্যায্যমূল্যে খাদ্যশস্য বিতরণ কর্মসূচী পরিচালনা করণ।

(ঙ) বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের দৈনিক বাজারদর উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রতিবেদন প্রদান করা এবং

(চ) পাইকারী ও খুচরা খাদ্যশস্য ব্যবসায়ীদেরকে ফুডগ্রেইন লাইসেন্স এবং রাইস মিল মালিকদেরকে মিলের লাইসেন্স প্রদান করে সরকারী

বিধিবিধানের আওতাভূক্ত করণ। তাছাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা অন্যান্য কর্মকর্তা এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সহ স্থানীয় গন্যমান্য

ব্যাক্তিবর্গের সহিত সম্বনয় রেখে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা।

ফাইল ১

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন